
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ:
সম্প্রতি দৈনিক কয়েকটি অনলাইন ও জাতীয় দৈনিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মকর্তা এসআই তকিবুর রহমান ও পিংকি রানী ঘোষকে জড়িয়ে ‘ভয়ঙ্কর ফাঁদ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, প্রকাশিত প্রতিবেদনটি একপেশে, বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তবতার সাথে অসংগতিপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য না নিয়ে এবং যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে, যা সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালার পরিপন্থী বলে তারা অভিযোগ করেছেন।
পিংকি রানী ঘোষ তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে প্রকাশিত তথ্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তার বিয়ে নিয়ে যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্যই একটি মহল এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। পিংকি রানী আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক তাকে তার অফিসে ডেকে নিয়ে বলেন, “আপনি যদি আইনের পক্ষে তাকিয়ে থাকেন, তাহলে বিষয়টা নিয়ে আমি কিছু বলব না। আর যদি বলেন— না, আমি পারিবারিকভাবে বিষয়টা মিটিয়ে নিতে চাই, তাহলে আমি অর্থনৈতিক ভাবে কিছু সহায়তা করতে পারি। কারণ আপনার ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড যেহেতু দুর্বল, আমি তাদের পরিবারের সাথে কথা বলে আপনাকে কিছু টাকা-পয়সা দিতে পারি।
অন্যদিকে, এসআই তকিবুর রহমানও সংবাদে তার নামে প্রকাশিত বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মনগড়া ও অসত্য বলে দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক তার সাথে কোনো প্রকার যোগাযোগ না করেই তার ছবি ও বক্তব্য প্রকাশ করেছেন, যা পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা। অনুসন্ধানে জানা গেছে, পিংকি রানী ঘোষের সাথে এসআই তকিবুর রহমানের পরিচয় কেবল একটি মামলার তদন্ত সংক্রান্ত পেশাগত প্রয়োজনে সীমাবদ্ধ। এই সম্পর্ককে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যক্তিগত আক্রোশ বা কোনো বিশেষ মহলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করা গণমাধ্যমের দায়িত্ব নয়। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।