
নিউজ ডেস্ক :
আমি ইখতিয়ার মাহমুদ
উপ-সহকারী প্রকৌশলী,
সড়ক বিভাগ, শরীয়তপুর।
গত ৫ মার্চ দৈনিক লোকবানী এবং ১০ মার্চ দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকায় “বেইলি ব্রিজের পুরোনো ভাঙা
স্টিলের ইস্পাত নিলাম ছাড়াই বিক্রি” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে
আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকৃত
বিষয়টি হচ্ছে, বেইলি ব্রিজের পুরোনো ভাঙা স্টিলের ইস্পাত সুরঞ্জান নিয়ন্ত্রণ বিভাগ, ঢাকার তত্ত্বাবধানে
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী, সওজ, সরঞ্জাম নি
বিভাগ, তেজগাঁও, ঢাকার স্মারক নং৩৫.০১.২৬০০,৩৭০,০২,০১৮,১৮-২৪/১০৩২, তারিখ ০১/০৬/২০২৪ এর
মাধ্যমে নিলামে বিক্রয়ের কার্যাদেশ প্রদান করা হয় এবং উক্ত নিলামে মেসার্স ডায়নামিক এসোসিয়েটস,
মইজ্জারটেক, চরপাথরঘাটা, কর্ণফুলী, চট্টগ্রাম পরদাতা হিসেবে কার্যাদেশ লাভ করে।
সংবাদে আরও বলা হয়েছে যে, “সরদার এন্টারপ্রাইজ ট্রেডার” নামের একটি প্রতিষ্ঠান টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই
কাজ করেছে। বাস্তবে সড়কের জরুরি মেরামত কাজ সরকারি বিধিমালা পিপিআর ২০০৮ অনুযায়ী সম্পন্ন করা
হয়েছে।
এছাড়া সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ড্রাইভার জলিল পটুয়াখালীর কর্মচারী হয়েও শরীয়তপুরে দায়িত্ব পালন
করছেন এবং নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি পটুয়াখালীর কর্মচারী হলেও প্রায় ৮ বছর যাবৎ নির্বাহী
প্রকৌশলীর মৌলিক অনুমতিতে অত্র সড়ক বিভাগে ড্রাইভার হিসেবে কাজ করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে
অভিযোগ ওঠার পরপরই তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি শরীয়তপুর সড়ক
বিভাগে কোনো দায়িত্ব পালন করছেন না। শরীয়তপুর সড়ক বিভাগ থেকে তাকে কোনো বেতন বা ভাতা প্রদান
করা হয় না।
আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, ব্রিজের অ্যাবাটমেন্টে থাকা বিপুল পরিমাণ ইট সরকারি খাতে জমা না দিয়ে
বিক্রি করা হয়েছে। বাস্তবে উক্ত স্থান থেকে প্রাপ্ত ইট নিয়ম অনুযায়ী সাইট অ্যাকাউন্টে অন্তর্ভুক্ত করে সড়ক
মেরামত কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো ইট ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি করা হয়নি। একটি কুচক্রী মহল দৈনিক লোকবাণী ও মাতৃভুমি পত্রিকায় নিউজটি প্রকাশ করিয়েছেন।তএব, প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, যা আমাকে
ব্যক্তিগতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছে এবং আমার মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে। এজন্য প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে এই
প্রতিবাদ প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট পত্রিকার কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
ইখতিয়ার মাহমুদ
উপ-সহকারী প্রকৌশলী,
সড়ক বিভাগ, শরীয়তপুর।