
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি:
খুলনার কয়রা উপজেলা এলাকায় ডিসিআরভুক্ত জমিতে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় অবৈধভাবে ঘরবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে কয়রা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের নেতা মো. শাহাবুদ্দিন মালীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থাপনা নির্মাণ করে জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহাবুদ্দিন মালী ও তাঁর সহযোগীরা—মজিবর সানা, অজিয়ার সানা ও মরহুম মফিজুল মালীর নামে থাকা ডিসিআরভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করছেন। জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
ভুক্তভোগী আমিনুর ইসলামের দাবি, মরহুম সবুর গাজীর নামে থাকা জমির একটি অংশ জালিয়াতির মাধ্যমে কৌশলে নিজের নামে নামজারি করে নেন শাহাবুদ্দিন মালী। এ ঘটনায় কবিরুল গাজীসহ মোট ১৪ জন বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।
বাদীপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আদালতে মামলার শুনানি শেষে তাদের পক্ষে রায় দেন। তবে অভিযুক্ত পক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করেছেন। মামলাটি বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনী সময়কে কাজে লাগিয়ে দ্রুত ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিরোধপূর্ণ জমিতে কয়েকটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী জমির মালিকদের দাবি, যুবলীগ নেতা শাহাবুদ্দিন মালী টাকা নিয়ে ডিসিআরভুক্ত জমি কয়েকজনের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে শাহাবুদ্দিন মালী বলেন, “আমি ডিসিআরের বৈধ মালিক। আমাকে হয়রানি করার জন্যই আমার নামে মামলা করা হয়েছে। মামলার রায় সব আমার পক্ষেই রয়েছে।” জাল দলিলের বিষয়ে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।