কুষ্টিয়ায় পীর হত্যাসহ চলমান মব বন্ধের দাবিতে প্রদীপ প্রজ্জলন ও কালো পতাকা প্রদর্শন এবং বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি। ১২ এপ্রিল রবিবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুনধারার চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদীর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান চন্দন সেনগুপ্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন বৈরাগী প্রমুখ। এসময় মোমিন মেহেদী বলেন, নির্মম হলেও সত্য আজ জাতীয় জীবনের মানুষের দাম প্রতিনিয়ত কমছে, বাড়ছে চালের দাম- তেলের দাম, ডালের দামসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। শুধু এখানেই শেষ নয়; অন্তবর্তী সরকারের ১৮ মাসের মব-তথাকথিত তৌহিদী জনতা আর রাষ্ট্রিয় বিভিন্ন বাহিনীর পাশাপাশি সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী মহলে লুকিয়ে থাকা দেশ-স্বাধীনতা ও জনতা বিরোধীচক্রটি এখানো নির্মমতাকে উশকে দিচ্ছে। যে কারণে যেখানে সেখানে হামলা বন্ধ হয়নি, মিথ্যে মামলা বন্ধ হয়নি, ধর্ষণ কমেনি, থামেনি নির্মম হত্যাকাণ্ডও। এমতবস্থায় আমরা চাই কঠোর পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে মববাজ-জামায়াত-শিবির-স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে সরকার প্রতিহত করবে, বিচারের আওতায় আনবে এবং বাংলাদেশের মানুষকে সুরক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করবে। ভুলে যাবেন না, জুলাই বড় নয়; বড় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ। ‘জন সুরক্ষা আইন’ দেশের সর্বস্তরের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। আলাদা করে জুলাই সুরক্ষা আইন-এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করার মত ভুল সিদ্ধান্ত নিলে দেশের মানুষ তা মেনে নেবে না।
এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই চেতনা বিক্রি করে এমপি হওয়া ৬ জনের একজন নাহিদ বলেছেন ‘ইউনূস সমঝোতার মধ্য দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়েছে।’ একথা যেমন সত্য, তেমনই সত্য নাবালক-অসভ্য-বর্বর কিছু ছাত্র নামধারী ষড়যন্ত্রকারীকে সংদস্য করার পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে সংসদে যাওয়ার বন্দবস্ত করেছে। দেশের মানুষ তাদের সুরক্ষা আইনের দাবিতে মাঠে নামতে বাধ্য হবে চলমান মব-হত্যা-লুটপাট বন্ধ করা না হলে। নেতৃবৃন্দ এসময় আরো বলেন, আমরা হাদী-দীপুর মত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার যেমন চাই, তেমনই স্বাধীনতা বিরোধীতার অপরাধে দেশদ্রোহী জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের প্রতিটির নিবন্ধন বাতিল চাই। সেই সাথে সংসদে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানসহ সকল মুক্তিযোদ্ধাকে গাদ্দার উপাধি দিয়ে ‘মুক্তিযোদ্ধারা গাদ্দার’ প্লাকার্ড প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহের মত অপরাধ করার শাস্তি হিসেবে ৭৪ জন স্বাধীনতা-জনতা ও দেশ বিরোধীর রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। এসময় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন সুফীবাদী আবদুর রহমান।
----------------------------------------------------------------
(হালিমা খাতুন)
সদস্য, মিডিয়া সেল
নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি
--