এমডি রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে একাধিক সড়ক উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার অর্থ নৈতিক কর্মকাণ্ড,শিক্ষা,স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণ আরও সহজতর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন,মাননীয় মন্ত্রী,সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়,গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করছে Local Government Engineering Department (LGED),নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জন প্রতিনিধি,প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী পর্বে মন্ত্রী মহোদয় বলেন,“গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন দেশের টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।” উদ্বোধনকৃত সড়কসমূহ
উদ্বোধনকৃত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প গুলোর বিবরণ নিম্নরূপ,তিখুর হতে ছোট তেঁতুলিয়া ভায়া পঁচাকরমজি পর্যন্ত সড়ক চেইনেজ: (২২০০–২৮০০) মিটার দৈর্ঘ্য: ০.৬০০ কিলোমিটার
নবাবগঞ্জ আফতাবগঞ্জ রোড হতে চামুন্ডা পর্যন্ত সড়ক চেইনেজ:(০০–১০০০) মিটার দৈর্ঘ্য: ১.০০ কিলোমিটার মাহমুদপুর ইউপিসি হতে পুটিহার আরএইচডি ভায়া টুপিরহাট পর্যন্ত সড়ক চেইনেজ: (২২০০–৩৫৫০) মিটার এবং (৫৫০০–৭০০০) মিটার
মোট দৈর্ঘ্য: ২.৮৫০ কিলোমিটার
কুশদহ ইউপিসি হতে জাতেরহাট ভায়া কচুয়া বাজার পর্যন্ত সড়ক চেইনেজ: (৭০০০–৭৬৯০) মিটার দৈর্ঘ্য: ০.৬৯০ কিলোমিটার দিনাজপুর গোবিন্দগঞ্জ আরএন্ডএইচ সড়ক হতে টেকরা ভায়া ধিয়াস পর্যন্ত সড়ক চেইনেজ:(১০০০–১৮০০) মিটার দৈর্ঘ্য: ০.৮০০ কিলোমিটার হাতিশাল হতে পলাশবাড়ী বাজার পর্যন্ত সড়ক চেইনেজ: (১০০০–৩০০০) মিটার দৈর্ঘ্য: ২.০০ কিলোমিটার স্থানীয়দের প্রত্যাশা
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,দীর্ঘদিন ধরে এসব সড়ক বেহাল অবস্থায় থাকায় যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। নতুন করে সড়ক উন্নয়ন কাজ শুরু হওয়ায় কৃষিপণ্য পরিবহন,শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার হবে। উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় নবাবগঞ্জ বিশেষজ্ঞদের মতে,এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নবাবগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। সরকারের এ উদ্যোগ দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও “স্মার্ট বাংলাদেশ” বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারিখ: চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ / এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বাস্তবায়নকারী সংস্থা: এলজিইডি,নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।