1. nazirhossen6120@gmail.com : দৈনিক লোকবাণী : দৈনিক লোকবাণী
  2. info@www.lokobani.com : দৈনিক লোকবাণী :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় শিল্পপতি শিরু কারাগারে মাধবপুরের সোনাই আশ্রয় প্রকল্পে পানির জন্য হাহাকার, শৌচাগার সংকটে চরম দুর্ভোগে ২০টি পরিবার। সদরপুরে ডিজেল সংকট: বোরো ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক কলারোয়ায় ইউএনও’র সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়: সমস্যা সমাধানে আশ্বাস বিরামপুরে প্রেমের নাটকীয় সমাপ্তি: দির্ঘ অনশন শেষে বিয়ে সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক সেলিম হোসেন কে তুলে নিয়ে হুমকির অভিযোগ কলারোয়ায় নবাগত ইউএনও’র সাথে পুরোহিত-সেবায়েত ঐক্য ফ্রন্টের মতবিনিময় কলারোয়ায় ই ল্যাব ডায়গনস্টিকের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে ব্যাপক সাড়া, চিকিৎসা পেলেন শতাধিক রোগী সান্তাহারে সরকারি পুকুর রক্ষায় অভিযান, জরিমানার পর “অপরাধীদের চাপের মুখে প্রশাসন!! সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা.এ জেড এম জাহিদ হোসেন-এর হস্তক্ষেপ চায় দিনাজপুর-৬ এর মানুষ

সদরপুরে ডিজেল সংকট: বোরো ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে


বিপ্লব কুমার দাস।। নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে শুরু হওয়া জ্বালানি সংকটের ধাক্কা লেগেছে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকদের গায়ে। তীব্র ডিজেল সংকটের কারণে স্থানীয় ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল সরবরাহ প্রায় বন্ধ। ফলে বোরো আবাদের ভরা মৌসুমে সময়মতো জমিতে সেচ দিতে পারছেন না চাষিরা। পানির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে মাঠ, যার ফলে বোরো ধানের কাঙ্ক্ষিত ফলন নিয়ে কৃষকদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ।

​সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার সদরপুর ও বাইশরশি (২২ রশি) এলাকায় মাত্র দুটি তেলের পাম্প রয়েছে। এর মধ্যে জাকের ফিলিং স্টেশনটিতে কোনো তেল মজুদ না থাকায় সেটি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, সদরপুর ফিলিং স্টেশনে সামান্য তেল থাকলেও সেখানে যানবাহন ও কৃষকদের উপচে পড়া ভিড়। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাক্টর চালক মতি মিয়া জানান, “সেচ কাজের জন্য তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। ডিজেল না পেলে সেচ দেওয়া যাবে না। চার দিন আগে মাত্র ৩০০ টাকার তেল পেয়েছিলাম।”

​কৃষকদের অভিযোগ, তাঁরা পাম্পে ৫ লিটারের ক্যান বা বোতল নিয়ে গেলে ডিজেল দেওয়া হচ্ছে না। আবার খুচরা দোকানে বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত তেল।

স্থানীয় কৃষক তৈয়ব বেপারী জানান,

​”২ বিঘা জমিতে ব্রি-২৯ ধানের আবাদ করেছি। ডিজেলের অভাবে ঈদের আগে থেকেই ঠিকমতো সেচ দিতে পারছি না। মাঝে হালকা বৃষ্টিতে কিছুটা উপকার হলেও এখন জমি আবার শুকিয়ে খটখটে। ঠিকমতো সেচ দিতে না পারলে ধানের থোড় বের হবে না, পোকা লাগারও ভয় আছে।”

​একই সংকটের কথা জানালেন আরেক কৃষক জাফর শেখ। তিনি বলেন, “৩ বিঘা জমিতে ব্রি-৮৯ আবাদ করেছি। সময়মতো সেচ ও সার দিতে পারলে বিঘায় ৩০ থেকে ৩৫ মণ ফলন হতো। এখন যে অবস্থা, তাতে ফলন কমে বিঘায় ২০ থেকে ২৫ মণে নামতে পারে।”

​উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সদরপুর উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ২০০টি সেচ পাম্প রয়েছে। এসব পাম্প সচল রাখতে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৩ হাজার লিটার ডিজেলের প্রয়োজন হয়। অথচ বর্তমান পরিস্থিতিতে পাম্পগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আজ বুধবার (১ এপ্রিল) পর্যন্ত মোট ডিজেল মজুদ আছে মাত্র ১ হাজার ১৫৮ লিটার—যা দৈনিক চাহিদার অর্ধেকেরও কম।

​এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীটুল রায় জানান, “এখন বোরো ধানের থোড় আসার মোক্ষম সময়। এই মুহূর্তে সেচ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে না পারলে উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে যাবে। সার্বিক বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-কে অবগত করা হয়েছে। আমরা দাবি জানিয়েছি, প্রতিদিন পাম্পে যে পরিমাণ ডিজেল আসবে, তার অন্তত ৩০ শতাংশ যেন কৃষকদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট