
স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরার কলারোয়ার সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড ভাদিয়ালী গ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ সোহরাব হোসেন কলারোয়া উপজেলা বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন- আমি সোনাবাড়ীয়া তথা সীমান্তবর্তী ভাদিয়ালী গ্রামের সন্তান, আমি সবসময় আমার প্রিয় সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়ন সহ নিজ গ্রাম বাসীর সুস্বাস্থ, মঙ্গল কামনা করি। ভালো থাকুক আমার এলাকাবাসী।আমি তাদের পাশে ছিলাম এবং এখনো আছি। পরবর্তী সময়ে তাদের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।
প্রিয় গ্রাম বাসী!
অনাবিল শান্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে ঈদের এক ফালি চাঁদ পশ্চিম দিগন্তে ভেসে ওঠে,তখন সর্ব শ্রেণীর মানুষের হৃদয় গহিনে বয়ে যায় আনন্দ উল্লাসের মৃদু দোলা। ঈদ বান্দার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বড় নেয়ামত।মাগফিরাত ও নাজাত লাভের মধ্য দিয়ে আমাদের মাঝে যে ঈদ আসে তা হলো ঈদুল ফিতর।
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুইটি,তাহা হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা তার মধ্যে ঈদুল ফিতর অন্যতম।দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনা ও সামর্থবানদের ফিতরা যাকাত আদায়ের পর মুসলমানেরা এই দিনটি খুব আনন্দের সাথে পালন করে থাকেন এবং এই দিনে একে অপরকে ঈদ মোবারক বলে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায়।এই দিনে মুসলমানেরা সকল ভেদাভেদ ভুলে কাঁধে কাঁধ রেখে ঈদগার মাঠে এক শারিতে সমবেত হয়।
তিনি আরো বলেন কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গান।
ও মন রমজানেরই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ/ আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন, আসমানি তাগিদ/ তোর সোনা দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ/ দে জাকাত মুর্দা মুসলিমে আজ ভাঙ্গাইতে দিন।
প্রতিবছর এই গানটি ঈদের আগের দিন বাঙালি মুসলিমদের অন্তরে নিয়ে আসে আনন্দের বার্তা।
ঈদুল ফিতর হলো মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও আত্ম সংযমের পর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরস্কার ও আনন্দের দিন।ঈদের দিন হিংসা বিদ্বেষ ভুলে সবার সাথে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করা ও ফিতরা আদায়ের মাধ্যমে দরিদ্রের আনন্দ ভাগাভাগি করার অঙ্গীকার করাই হলো ঈদুল ফিতরের মূল শিক্ষা।