
মিরু হাসান, স্টাফ রিপোর্টার
বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলায় প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়াই পরিত্যক্ত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে ফারজানা রিসাইক্লিন ফাক্টরী। জানা যায় দীর্ঘ কয়েক বৎসর যাবৎ নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই কার্যক্রম পরিচালনা করছে এই ফাক্টরী। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে দুই বার অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং ৪ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছিল।
তার পরেও ঘন বসতিপন্য আবাসিক এলাকায় এমন কার্যক্রম পরিচালনা করায় ক্ষিপ্ত এলাকাবাসী। যানা একাধিক বার বিভিন্ন দপ্তরে একালাবাসীর পক্ষে থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, এগুলো অভিযোগের তোয়াক্কা না করেই বিভিন্ন দপ্তরে কারখানার ম্যানেজার ওয়াসিম ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পরিচালনা করেন কার্যক্রম। গোপন অনুসন্ধানে জানা যায় ফাক্টরীর মালিক মিজানুর রহমান মিজান বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় একাধিক ফাক্টরী স্হাপন করেছেন। দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন দপ্তরকে ম্যানেজ করেই ব্যবসা করেন তিনি।
সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, পরিত্যক্ত ও আবাসিক এলাকায়, সরকারি গোরস্থান, হাকিং মিল, সহ ১ কিমিঃ মধ্যে স্কুল মাদরাসা সহ আধা কিমিঃ মধ্যে রেললাইন ও নওগাঁ বগুড়া মহাসড়কের পাশ্ববর্তী যায়গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিচালনা হচ্ছে কার্যক্রম। অনুসন্ধানে জানা যায় তথ্য সংগ্রহে গেলে বিভিন্ন সাংবাদিকদের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেন ম্যানাজার ওয়াসিম এমনকি কেউ ম্যানেজ হতে না চাইলে করা হয় হামলা। এই ক্ষমতাধর ম্যানেজার ব্যক্তিগত ক্ষমতা ব্যবহার করে পরিচালনা করছে ফাক্টরী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফাক্টরীর পাশ্ববর্তী বাড়ির মালিক বলেন, আমি স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতাম। এখন গন্ধ এবং সবসময় বিকট শব্দের কারনে বসবাস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। আমার সন্তানরা স্কুলে পড়াশুনা করে বাসায় এসে পরতে বসবে বিকট শব্দ ও দুর্গন্ধের কারণে পড়াশুনা করতে পারে না প্রতিনিয়ত রোগ বালাই লেগেই আছে আমার বাসায়। আমি সহ আমার পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এরকম চলতে থাকলে বাসা রেখে চলে যাবো গিয়ে কোথায় থাকবে সেটা নিয়ে চিন্তা বাবার তেমন টাকা নেই বা নিজের ব্যবসা নেই আমি হতাশায় ভুগছি।
এ বিষয়ে কারখানার ম্যানেজার ওয়াসিম বলেন,আমাদের সকল ছাড়পত্র আছে আর আপনি নিউজ করেন, কি করতে পারেন আমি দেখে নিবো। এদিকে দৈনিক খবর বাংলাদেশ পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া নিউজের বরাতে জানা যায়, তিনি সাংবাদিকদের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।কোন সাংবাদিকে ম্যানেজে ব্যর্থ হলে হামলা চালিয়ে ফাক্টরীর কার্যক্রম চলমান রাখে।
এ বিষয়ে কারখানার মালিক,মিজানুর রহমান মিজান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য দেওয়া আছে। তারা বিভিন্ন সংস্থার করার জন্য বলেছে। লোকবল সংকটের কারনে সংস্থার করা এখনো সম্ভব হয়নি। তবে ছাড়পত্র ছারা বর্তমান তিনি কার্যক্রম চালাতে পারবেন কিনা এই বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহথীর বিন মোহাম্মদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে আদমদিঘী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।##