1. nazirhossen6120@gmail.com : দৈনিক লোকবাণী : দৈনিক লোকবাণী
  2. info@www.lokobani.com : দৈনিক লোকবাণী :
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নেত্রকোনায় স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে স্ত্রীর আদালতে দারস্থ ও সংবাদ সম্মেলন “রমজানের শিক্ষা বাস্তবায়নে সাম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে হবে” – কলারোয়ায় এমপি ইজ্জত উল্লাহ ঝিকরগাছায় সেবা সংগঠনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি ফুলের শ্রদ্ধা নওগাঁয় স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে প্রতারণা ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ দেবহাটায় উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিরামপুরে মাদক নিয়ন্ত্রণে জোরালো পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর সেলিব্রিটি লেখিকা তুলতুলের ‎“গল্পে স্বপ্নে জিব্রাইল (আ.)” দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নেত্রকোনায় স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে স্ত্রীর আদালতে দারস্থ ও সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

 

সোহেল খান দূর্জয়- নেত্রকোনা :নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ নূরুল ইসলামের মেয়ে সাবরিনা সুলতানার সাথে নেত্রকোনা সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের, গাবরাগাতী গ্রামের বাসিন্দা বর্তমান ঠিকানা পৌরসভার পশ্চিম চকপাড়া এলাকার বাসিন্দা শাহাব উদ্দিনের ছেলে মাজহারুল ইসলামের ২০২৪ সালের ২৪ জুন মাসে ফেইসবুকে পরিচয় হয়। সেখান থেকেই তাদের প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তারপর পারিবারিক ভাবে ২০২৫ সালের ১৮ জুলাই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা,সাবরিনা সুলতানা আরও বলেন, এরপর আমার স্বামী মাজহারুল ইসলাম আমাদের বিয়ের আগে ১লাখ এবং বিয়ের পরে (১৪ আনা সোনা) এবং বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে বিভিন্ন ভাবে আরও ১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এরপর প্রায় সাত মাস পর ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সাবরিনা সুলতানা জানতে পান তাঁর স্বামী মাজহারুল ইসলাম তাকে ডিভোর্স দেয়। কি কারণে তাকে ডিভোর্স দেওয়া হয়েছে এই বিষয়টি জানতে চেয়ে সাবরিনা সুলতানা তার স্বামী মাজহারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে মাজহারুল ইসলাম তাকে চরিত্রহীন এবং পরোকিয়া প্রেমে মত্ত বলে আখ্যায়িত করেন। এদিকে সাবরিনা সুলতানা বলেন, আমি তো কোনো চরিত্রহীনা নই বা পরোকিয়া প্রেমে মত্ত্ব নই, এবং আমি কিভাবে চরিত্রহীনা হলাম এবিষয়ে জানতে চাইলে তার স্বামী মাজহারুল ইসলাম আর সাবরিনা সুলতানার সাথে কোনো যোগাযোগ করেন না। উল্টো আমার স্বামী মাজহারুল ইসলাম আমাকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখান।

ভুক্তভোগী সাবরিনা সুলতানা বলেন, নেত্রকোনা কোর্টের উকিলবারে ২০৪ নাম্বার রুমে অ্যাডভোকেট আব্দুল কাইয়ুম উথান সাহেবের চেম্বারে কয়েকজন বিজ্ঞ আইনজীবীর উপস্থিতিতে স্বামী মাজহারুল ইসলাম ও তার বড় বোনের উপস্থিতিতে পারিবারিক বিরোধ ভুলে সংসার করবে এই মর্মে আমি আপোষ রফা করে খান হোটেলে মিষ্টিমুখ করেও ডিভোর্স উইথড্র করা হয় নাই। তাই আমি স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে তার বাড়ি পশ্চিম চকপাড়া এলাকায় (১০ মার্চ) গেলে আমার স্বামী মাজহারুল ইসলামের ভাই বায়জীদ আলম (৪৫) ও বোন মোছাঃ রুপা আক্তার (২৭) আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও এবং হুমকি প্রদান করে। আরও জানা যায়,ভুক্তভোগী সাবরিনা সুলতানা (১১ মার্চ) বিকেলে নেত্রকোনা শহরের অজহর রোডে উপস্থিত কে এম এস টাওয়ারের (৩য় তলায়) বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি র হল রুমে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ঐসময় উক্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, নেত্রকোনা শহরের পশ্চিম চকপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ শাহাব উদ্দিনের ছেলে মাজহারুল ইসলামের সাথে তাদের পারিবারিক ভাবে (১৮ জুলাই ২০২৫) সালে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর তিনি (বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা না হওয়ায়) বাবার বাড়িতে বৈবাহিক জীবন অতিবাহিত করে আসছেন। বাবার বাড়িতে থাকাকালীন সময়ে ভুক্তভোগীর স্বামী মাজহারুল ইসলাম কোনো প্রকার ভরণপোষণ দেন নাই। খোঁজ খবর নেন নাই।

ভুক্তভোগী সাবরিনা সুলতানা আরও জানান, “বিয়ের পর অল্প কয়েক মাস সংসার করার পর হঠাৎ আমি জানতে পারি আমার স্বামী মাজহারুল ইসলাম অন্য অনেক মেয়েদের সাথে অনৈতিক ফোনালাপে লিপ্ত, যার সকল প্রমাণ আমার কাছে আছে এবং আমার স্বামী মাজহারুল ইসলাম যে মেয়েদের সাথে অনৈতিক ফোনালাপ এবং টেক্সট করে সেই মেয়েদের বেশ কয়েকজনের সাথে আমার ফোনে কথাও হয়েছে এবং তাদের সাথে আমার হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলার অনেক প্রমাণ আমার কাছে আছে,এবং আমি যে মেয়েদের সাথে কথা বলেছি তারা বলেন আপনার স্বামী আমাদের কথা বলে তিনি অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে,এখন আপনার সাথে কথা বলার পর আমরা জানতে পারলাম মাজহারুল ইসলাম বিবাহিত,এই বিষয়টি জানার পর থেকে আমার স্বামী আমার সাথে খারাপ আচরণ করা শুরু করে। আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে।তিনি বলেন, বর্তমানে আমার স্বামী মোঃ মাজহারুল ইসলাম ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। আমার স্বামী বর্তমানে আমাকে স্ত্রী হিসেবে কোনো মর্যাদা দিচ্ছে না।”তিনি আরও বলেন, “আমি আইনগতভাবে তার স্ত্রী। কিন্তু স্বামীর অধিকার ও মর্যাদা থেকে আমি বঞ্চিত হচ্ছি। তাই আমার দাম্পত্য অধিকার রক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের জরুরি সহযোগিতা কামনা করছি।

 

১৩/০৩/২০২৬ ইং

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট