এমডি রেজওয়ান আলী বিরামপুর প্রতিনিধি-সারাদেশের উন্নয়ন ধারার সঙ্গে সমন্বয় রেখে ডা.এজেড এম জাহিদ হোসেন দিনাজপুর-৬ আসনের অন্তর্ভুক্ত বিরামপুর,নবাবগঞ্জ,হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট উপজেলার অবহেলিত অবকাঠামো উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি তথ্যভিত্তিক সহযোগিতার জোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এলাকার যেসব কাঁচা রাস্তা,স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা এখনো উন্নয়নের ছোঁয়া পায়নি—সেসব প্রতিষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট তথ্য আমাদের কাছে পৌঁছে দিন। বাস্তব চিত্রের ভিত্তিতে আমরা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে চাই।”
আদিবাসী জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ
তিনি উল্লেখ করেন,এই অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। তাদের অভিযোগ—বর্ষা মৌসুমে কাঁচা রাস্তায় চলাচল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। অনেক এলাকায় পাকা রাস্তার শেষ প্রান্ত থেকেই শুরু হয় দীর্ঘ কাঁচা পথ,যা শিক্ষা,স্বাস্থ্যসেবা ও নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াতে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। সামাজিক প্রভাব ও নারীদের ভোগান্তি সরেজমিনে স্থানীয় মা-বোনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,কাঁচা রাস্তার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতা সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে যাতায়াত সমস্যার কারণে পারিবারিক ও বৈবাহিক সম্পর্কেও জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
তথ্য প্রদানে নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান
ডা.জাহিদ হোসেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় জন প্রতিনিধি,সমাজসেবক ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানান—যাতে উন্নয়নবঞ্চিত এলাকার পূর্ণাঙ্গ তালিকা,সমস্যার ধরন ও অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রস্তাবনা লিখিত আকারে প্রদান করা হয়। তিনি বলেন,“সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।”অব্যাহত উন্নয়নের প্রত্যয়
সরেজমিন পর্যবেক্ষণে জানা যায়,তিনি জাতীয় পর্যায়ে দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত থাকার পরও তৃণমূল পর্যায়ের বাস্তব চিত্র জানার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। দিনাজপুর-৬ আসনের চারটি উপজেলা—বিরামপুর, নবাবগঞ্জ,হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাটে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে এবং নতুন প্রকল্প গ্রহণে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে,সারাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দিনাজপুর-৬ আসনের প্রতিটি গ্রাম, পাড়া ও জনপদে অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।