1. nazirhossen6120@gmail.com : দৈনিক লোকবাণী : দৈনিক লোকবাণী
  2. info@www.lokobani.com : দৈনিক লোকবাণী :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সেবাই ধর্ম ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে ঈদের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত *ঈদ উপলক্ষে সিউড়িতে অসহায় শিশুদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ, মানবতার উদ্যোগে সম্পন্ন কর্মসূচি* বিরামপুরে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে সরকারের মানবিক উদ্যোগ: শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে নির্দেশ মন্ত্রীর পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সোনাবাড়ীয়ার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ সোহরাব হোসেন শেখ মাহমুদুল হাসানকে দলনেতা করে কলারোয়া উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট কার্যকরী কমিটি অনুমোদন সাপাহারে আমবাগান থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা ও যুগিখালী ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কবর জিয়ারত বিরামপুরে শিলাবৃষ্টির তাণ্ডব: ৭০০ টিনের ঘর বিধ্বস্ত,খোলা আকাশের নিচে শতাধিক পরিবার

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির গাইবান্ধার গণমানুষের বর্ষীয়ান নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড বাদল হাজী’র ইন্তেকাল-

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

 

আশরাফুজ্জামান, গাইবান্ধাঃ-
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির গাইবান্ধার গণমানুষের বর্ষীয়ান নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড একরাম হোসেন তালুকদার(বাদল হাজী)বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

সোমবার ১২ জানুয়ারি ভোরে রংপুর ছেলের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।এদিন বাদ যোহর পলাশবাড়ী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে প্রথম এবং বাদ আসর নিজ জন্মস্থান সাদুল্লাপুর উপজেলার ঢোলভাঙ্গা জানিপুর গ্রামে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। তাঁর বিদেহী রূহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করে গাইবান্ধাসহ জেলার পলাশবাড়ী,সাদুল্লাপুর ও গোবিন্দগঞ্জসহ অন্যান্য উপজেলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী সংগঠন পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন।

তিনি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জানিপুর গ্রামের মরহুম এসরাফিল হোসেন তালুকদার ও জোহুরা বেগম দম্পতির ছেলে।স্বাধীনতা পূর্ব ১৯৬৬ সালে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের (মতিয়া গ্রুপ) রাজনৈতিক অঙ্গনে পা রাখেন। ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান কালীন পলাশবাড়ী- সাদুল্লাপুর তথা গোটা গাইবান্ধায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য পদ লাভ করেন তিনি।

তৎকালীন গাইবান্ধা জেলা শহরে কমিউনিস্ট পার্টির একটি শাখা কার্যালয় ছিল। সেসময় একরাম হোসেন বাদল ছাড়াও লুৎফর রহমান রঞ্জু, আবু সুফিয়ান বুলু, গণেশ প্রসাদ ও শাহনেওয়াজ টুকুসহ অন্যান্যরা নাম লিখিয়েছিলেন।

মহান একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি স্বতঃস্ফুর্ত ভারতের আসামের মাইনকার চরে গিয়ে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ গ্রহন শেষে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশ নেন।
যুদ্ধ পরবর্তী দেশে এসে তিনি প্রথমতঃ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ মোজাফফর) পরবর্তীতে সিপিবি’র রাজনৈতিক অঙ্গনে ওতোপ্রোতো সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন। রাজনৈতিক অঙ্গনে সবধরনের যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও পার্টির সম্মুখ ভাগে না থেকে নেপথ্যের নেতৃত্বে তিনি সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে দল পরিচালনা করতেন। জীবন সায়হৃের শেষ দিকে এসে তিনি বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি পদে আসীন হয়ে তিনি নিরলস নেতৃত্ব অব্যাহত রাখেন। সম্প্রতি সময় বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানা অসুস্থতার কারণে রাজনীতি থেকে তিনি অবসর নেন।

এরআগে ২০২২ সালে কমিউনিস্ট পার্টির দ্বাদশ কংগ্রেস সম্মেলনে তাঁকে ‘পার্টি ভেটারেন কমরেড’ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। তিনি জন্মগত গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা এলাকার হলেও স্বপরিবারে পলাশবাড়ী পৌরশহরের (উপজেলা রোড) কাজীপাড়ায় নিয়মিত বসবাস করতেন তিনি।

এ রোডে বড়বাসা’র পুকুরপাড়ে ফটোস্ট্যাট মেশিনসহ স্টেশনারি ব্যবসার পাশাপাশি এলাকার অসহায়- অনাথ, দুঃখ-দুর্দ্দশাগ্রস্ত নিরন্ন মানুষজনকে স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে পরামর্শ প্রদানসহ সার্বিক সহায়তা করতেন। গোটা গাইবান্ধা এলাকায় একজন পরোপকারী হিসেবে ব্যাপক পরিচিত প্রিয় এ মানুষটি বয়সের ভারে নুইয়ে পড়ায় পলাশবাড়ী ছেড়ে রংপুর বিভাগীয় শহরে ছেলের বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ছেলে-পুত্রবধূ, মেয়ে-জামাতা, নাতী- নাতনী, আত্মীয়স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশি ও শুভাকাঙ্ক্ষীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। নম্র-ভদ্র, সৎ-মিশুক স্বভাবের সাদামাটা, সদা হাস্যোজ্জ্বল প্রিয় মানুষটি তাঁর কর্মজীবনের কর্মক্ষেত্রে বরাবরই মানুষকে সুপরামর্শ দিয়ে সহায়তা করে এসেছেন। সেইসাথে এলাকার অবহেলিত গরীব দুঃখীদের ব্যক্তিগত এবং দলীয় সমন্বয়ে সাধ্যমত সহায়তার হাত উন্মুক্ত রেখেছিলেন। জেলা জুড়ে তিনি গণমানুষের নেতা হিসাবে ব্যাপক খ্যাতি পেয়েছেন। নিরহঙ্কার মানুষটির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় তাঁর পরিবার, শুভাকাঙ্ক্ষী,বীর মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মীবৃন্দ সর্বস্তরের সবার নিকট দো’আ চেয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট