
রিয়াজুল ইসলাম আলম,,সাতক্ষীরা (দেবহাটা)প্রতিনিধি।।
দেবহাটায় এক বিধবা ও প্রতিবন্ধীর জমি আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকার পরেও জোরপূর্বক দখল চেষ্টার বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে। দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাব মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারী সকাল সম্মলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলার নাংলা গ্রামের মৃত মিজানুর রহমানের স্ত্রী শরিফা খাতুন। লিখিত বক্তব্যে শরিফা খাতুন বলেন, তার মৃত স্বামী মিজানুর রহমানের নামে আরএস খতিয়ানভুক্ত নাংলা মৌজার ২৫৬ নং দাগে ৩৩ শতক জমি আছে। উক্ত জমিটি তার ফুফাতো ভাসুর মৃত আকতার হোসেনের ৩ মেয়ে হোসনেয়ারা খাতুন, রওশনারা খাতুন, ইলারা খাতুন ও তাদের মা মনোয়ারা খাতুন ভূয়া কাগজ বানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে আসছে। এবিষয়ে দেবহাটা থানা, স্থানীয় মেম্বর চেয়ারম্যানসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধিকবার শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু প্রতিপক্ষরা কোন শালিশ মিমাংসা না মেনে জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা চালিয়ে আসছে। গত কয়েকমাস পূর্বে প্রতিপক্ষরা সাতক্ষীরার দেবহাটা সহকারী জর্জ আদালতে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করে তাদের অগোচরে একপক্ষ রায় নেয়। বিষয়টি তারা জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে গত ৩০জুন, ২০২৫ ইং তারিখে দেবহাটা সহকারী জর্জ আদালতে মিস কেস নং- ৫/২৫ নং মামলা দায়ের করেন। প্রতিপক্ষরা আদালতের রায় নিয়ে তার মৃত স্বামীর নামীয় উক্ত জমিটি বিক্রি করার চেষ্টা করতে থাকলে তারা বিষয়টি জানতে পেরে গত ইং ২৪-১২-২৫ তারিখে দেবহাটা উপজেলার সখিপুর সাবরেজিস্টার অফিসার বরাবর উক্ত জমি রেজিষ্ট্রি না করার জন্য একটি আবেদন করেন। কিন্তু গত ৭ জানুয়ারী, ২৫ ইং তারিখে প্রতিপক্ষরা আদালতের মামলা চলমান থাকার বিষয়টি গোপন করে উক্ত জমিটি উত্তর নাংলা গ্রামের মোস্তফা বিশ্বাসের ২ ছেলে আবু সিদ্দিক ও আবু তালেবের নিকট বিক্রি করে। শরীফা বলেন, তিনি একজন বিধবা মহিলা ও তার একটি প্রতিবন্ধী মেয়ে আছে। মেযেটি ৮ম শ্রেনীতে পড়াশুনা করে ও ছেলে এইচএসসি পরীক্ষার্থী। ঐ জমিটিই তাদের সংসার নির্বাহের মাধ্যম। তিনি তার বৃদ্ধ শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে নিয়ে এক পরিবারে বসবাস করেন। কিন্তু প্রতিপক্ষরা ষড়যন্ত্র করে তার মৃত স্বামীর নামীয় আরএস রেকর্ডভুক্ত এবং আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় কিভাবে গোপনে জমি রেজিষ্ট্রি করে নেই এবিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুবিচার প্রার্থনা করেন।