এ্যাডঃ ইয়ারুল ইসলাম,
প্রিয় কলারোয়া-তালা- পাটকেলঘাটাবাসী,
আস সালামু আলাইকুম।
আমি মোঃ ইয়ারুল ইসলাম, পিতা-মরহুম নুরুল হাফিজ, গ্রাম-আইচপাড়া, ইউনিয়ন-কেড়াগাছী, উপজেলা-কলারোয়া। আমি ১৯৮৫ সালে হঠাৎগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে প্রাথমিক, ১৯৯১ সালে হঠাৎগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে এসএসসি, ১৯৯৩ সালে কলারোয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.বি. (অনার্স), এলএল.এম. সম্পন্ন করি। আমি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগের একজন নিয়মিত আইনজীবী।
আমি আইচপাড়া ছাত্র সংসদ (১৯৯২), ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট এ্যাসোসিয়েশন অব সাতক্ষীরা-ইউসাস (ঢাকা ১৯৯৫) হঠাৎগঞ্জ ফাউন্ডেশন (২০০৪), কলারোয়া গভঃ কলেজ এক্স স্টুডেন্ট সোসাইটি (ঢাকা ২০০৮), কলারোয়া উপজেলা সমিতি, ঢাকা (২০২৩) ইত্যাদিসহ অনেকগুলো সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৩ সালে আমি “বাংলাদেশ কংগ্রেস” নামক রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করি যা ২০১৯ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে ডাব প্রতীক নিয়ে নিবন্ধন লাভ করে। আমি দলটির মহাসচিব।
আমার লেখা ছয়টি বই প্রকাশিত হয়েছে যার মধ্যে ‘শিকড়’ (কাব্যগ্রন্থ) ২০০৬ সালে, ‘সামাজিক রাজনীতি’ (প্রবন্ধগ্রন্থ) ২০১২ সালে, ‘অরণ্য প্রভা’ (কাব্যগ্রন্থ) ২০১৩ সালে, ‘কলারোয়া: ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ (ইতিহাসগ্রন্থ) ২০১৫ সালে, ‘কথামালা’ (বাণীগ্রন্থ) ২০১৬ সালে, ‘যা কিছু সঞ্চয়’ (প্রবন্ধগ্রন্থ) ২০১৬ সালে প্রকাশিত এবং আরো কিছু বই প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও আমি বিভিন্ন সংগঠনের গঠনতন্ত্র লিখেছি এবং স্মরণিকা সম্পাদনা করেছি।
মহান মুক্তিযুদ্ধে আমার পরিবারের রয়েছে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা। গ্রামের যে ভবনে আমরা বসবাস করি সেটি ১৯৭১ সালে ছিল বীরমুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়স্থল। ২৮ জন মুক্তিযোদ্ধা সেখানে পালাক্রমে অবস্থান করতেন। আমাদের পরিবার তাদের জন্য খাদ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করতেন। ফলে আমার দাদা সানাউল্লাহ সরদার, পিতা নুরুল হাফিজ ও চাচা আব্দুল মালেক খান সেনাদের নির্যাতনের শিকার হন। আমার পিতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং আমরা পাঁচ ভাই সবাই অনার্সসহ মাস্টার্স পাশ ও কর্মজীবী।
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০৫ নং সাতক্ষীরা-১ (কলারোয়া-তালা-পাটকেলঘাটা) আসনে আমি আপনাদের দোয়া, সমর্থন ও ভোট প্রত্যাশী।
শুভেচ্ছান্তে,
এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম
মহাসচিব, বাংলাদেশ কংগ্রেস
ফোন নং- ০১৭১১৪৭৭৯১৫