1. nazirhossen6120@gmail.com : দৈনিক লোকবাণী : দৈনিক লোকবাণী
  2. info@www.lokobani.com : দৈনিক লোকবাণী :
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কবি ,লেখিকা ও অনুবাদিকা- গায়ত্রী চক্রবর্তীর লেখা একটি কবিতা সত্যজিৎ রায় কে উৎসর্গ করে ঈদের খুশির আড়ালে আত্মসমালোচনা আমাদের প্রাপ্তি ও শিক্ষা তাকওয়ার আলোয় ঈদ: প্রাপ্তি কতটুকু,শিক্ষা কত গভীর? সেবাই ধর্ম ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে ঈদের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত *ঈদ উপলক্ষে সিউড়িতে অসহায় শিশুদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ, মানবতার উদ্যোগে সম্পন্ন কর্মসূচি* বিরামপুরে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে সরকারের মানবিক উদ্যোগ: শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে নির্দেশ মন্ত্রীর পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সোনাবাড়ীয়ার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ সোহরাব হোসেন শেখ মাহমুদুল হাসানকে দলনেতা করে কলারোয়া উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট কার্যকরী কমিটি অনুমোদন সাপাহারে আমবাগান থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা ও যুগিখালী ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

দেশী-প্রবাসী শ্রমিক পুড়ছে- মরছে

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

মো: সেলিম রেজা বাচ্চু:

আগুনের লেলিহান শিখা, “বাঁচাও, বাঁচাও” চিৎকার, ছেলেহারা মায়ের আর্তনাদ, এতিমের বিলাপ—এটা কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়, নির্মম সত্য চিত্র।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা , সিস্টেমের ত্রুটি আর মালিকদের মুনাফালোভী মানসিকতা,রাষ্ট্রের ব্যর্থতা সব মিলে তৈরি গড়ে তুলেছে এক পরিকল্পিত মৃত্যুকূপ। বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড—এই শ্রমিক ভাইবোনেরা আজ অবহেলিত, নির্যাতিত, ন্যায্য মজুরি ও মর্যাদা বঞ্চিত।

মিরপুর রূপনগর, চট্টগ্রাম ইপিজেড, তাজরীন ফ্যাশন, রানা প্লাজা, এফআর টাওয়ার, নিমতলী ট্র্যাজেডি — আগুনের লেলিহান শিখা শুধু স্থান বদলায়, কিন্তু চরিত্র বদলায় না।
একই গল্প—জ্বলন্ত শরীর, নিথর দেহ, শোকসন্তপ্ত পরিবার।  মালিকের চোখে শ্রমিক কেবল “উৎপাদনযন্ত্র”। হতাশা কে সাথী করে  মৃত্যুর প্রতীক্ষায় থাকে শ্রমিক। হয়তো  আগুন জ্বলে উঠলে – সে মুক্তি পাবে।

শ্রমিক মররে তদন্ত কমিটি,শোকসভা হয়। তারপর লাল ফিতার নিচে চাপা পড়ে যায় শ্রমিকের অধিকার । রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মধ্য দিয়ে – আর কতকাল চলবে তদন্ত?

প্রবাসীরা হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে বছরে ২৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্সে প্রেরণ করেন।
সেই শ্রমিক প্রবাসে নিপীড়িত, প্রতারিত, দালালের ফাঁদে নিঃস্ব,ঋণের ভারে ক্লান্ত হলে  হৃদযন্ত্র থেমে যায়। তবেই মেলে তার অনন্তকালের ছুটি। আজও গঠিত হয়নি শ্রমিক সুরক্ষা তহবিল। পুরো মাস ঘাম ঝরিয়ে রাজপথে বেতনের দাবীতে নামতে হয়। শ্রম আইনে শ্রমিকের স্বার্থ উদ্ধার হয় কি?

শ্রমিক মরলে রাষ্ট্র বাঁচে না—কারণ শ্রমিকই রাষ্ট্রের প্রাণ, অর্থনীতির মূল কারিগর। তাহলে প্রশ্ন থেকে যায়—যে আগুনে শ্রমিক পুড়ে ছাই হয়, সেই আগুনে শয়তান কেন পুড়ে না?
শ্রমিকের নিরাপত্তা, ন্যায্য মজুরি ও মানবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

লেখক : প্রতিনিধি, বাংলাদেশ কংগ্রেস। ই-মেইল :dbarta1996@gmail.com

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট